অন্ধকারের সুন্দরী

অন্ধকারের সুন্দরী

লেখক: পাখির পালক পতিত হয়ে চন্দ্রের স্নিগ্ধতায় অর্নিমিখ।
12হাজার শব্দ Palavras
0বার দেখা হয়েছে visualizações
100পরিচ্ছেদ Capítulo

আমি যখন জন্মগ্রহণ করি, তখন আমাদের পুরো পরিবার একই স্বপ্ন দেখেছিল—একটি সাদা শেয়াল ছুটে এসে আমাদের ঘরে ঢুকেছিল। আমার জন্মের সময়টা ঠিক ছিল না, কিংবা বলা যায়, আমি এই পৃথিবীতে আসার কথা ছিল না। আমার জীবন, আ

প্রথম অধ্যায়: পূর্বলক্ষণ...

        আমি ছোটবেলা থেকে ভূতকে ভয় পাই, কিন্তু তারা কখনো আমাকে আঘাত করেনি। আমি মানুষকে ভয় পাই না, কিন্তু তারাই আমাকে বারবার আঘাত করে।

— ইউলুও চেনশি

...

গ্রীষ্মের ছুটিতে এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছিল। সঠিকভাবে বললে, দাদির মৃত্যুর কয়েক দিন আগে।

প্রথমত, আমি হাঁটছি, টয়লেটে যাচ্ছি, না ঘুমাচ্ছি—সব সময় মনে হচ্ছিল যেন পেছনে কেউ চোখ রাখছে। আগে কখনো এ রকম অনুভব করিনি। খুব ভয় পেয়েছিলাম। আগে যেখানে সকাল পর্যন্ত ঘুমাতাম, সেখানে প্রায় প্রতিদিনই অনিদ্রায় ভুগছিলাম।

আরেকটি খুব অদ্ভুত ব্যাপার হলো, আমি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ছবি দেখছিলাম, কিন্তু ছবিগুলো হয়ে যাচ্ছিল আমার দাদির কালো-সাদা শেষ ছবি।

শুরুতে ভেবেছিলাম চোখের ভ্রম। কিন্তু বেশ কয়েকবার হওয়ায় ভয়ে আমার অবস্থা খারাপ হয়ে গেল।

সেদিন ভোর তিনটার দিকে, আমি আধো ঘুমে আধো জাগরণে ছিলাম। মা ফোন করলেন।

মনে হলো, এত রাতে মা ফোন করেছেন, নিশ্চয় জরুরি কিছু। ফোন ধরতেই মা জিজ্ঞেস করলেন, কী হয়েছে? আগে ফোন করে কিছু বললে না কেন?

আমি হতবাক। মা কি ভুল করছেন? আমি তো ফোন করিনি। তখন বেশি ভাবিনি। মাকে বললাম, এত রাতে আমি ঘুমাচ্ছি। আপনি ভুল দেখেছেন নিশ্চয়?

মা বললেন, কীভাবে ভুল হবে? বেশ কয়েকবার ফোন এসেছে। একথা শুনে আমার মন আরও অস্থির হয়ে গেল। মনে হলো এটা গত কয়েক দিনের অদ্ভুত ঘটনার সাথে সম্পর্কিত।

মা যেন বেশি ভাবতে না পারেন, তাই আমি বললাম, হয়তো ভুলবশত বোতাম চেপে গেছে। ফোন রেখে আমার ফোন দেখে পিঠ শিরশির করে উঠল। কল লগে দেখা গেল, সত্যিই বেশ কয়েকবার মায়ের নম্বরে কল গেছে। কিন্তু কেউ ধরেনি। সত্যিই খুব অদ্ভুত।

বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করছি, ঘুম আসছে না। পিঠ ঠান্ডা অনুভব করছি। শেষ পর্যন্ত ঘুম না আসায় চপ্পল পরে বারান্দায় গিয়ে আবার মাকে ফোন করলাম।

অনেকক্ষণ পর, ভেবেছিলাম মা ঘুমিয়ে পড়

📚 আপনার জন্য আরও কিছু

সম্পর্কিত তালিকা