সভ্যতার আহ্বানকারী

সভ্যতার আহ্বানকারী

লেখক: বিড়াল তৃতীয় রাজপুত্র
23হাজার শব্দ Palavras
0বার দেখা হয়েছে visualizações
100পরিচ্ছেদ Capítulo

মূল গল্প শেষ, পরিশিষ্ট অনিয়মিতভাবে প্রকাশিত হবে। সংরক্ষণের জন্য কলামে সংরক্ষিত উন্নয়নধর্মী উপন্যাস ‘সর্বশক্তিমান পরিচালক, ধনী হয়ে দেবত্ব লাভ’ এবং সরাসরি সম্প্রচারে পোষ্য নিয়ে চমকপ্রদ উপন্যাস ‘প্রক

1 শুরুতে হত্যা

        জলের ফোঁটা উল্টো শঙ্কুর মতো ঝুলন্ত চুনাপাথরের স্তম্ভ বেয়ে নিচে পড়ছে। মাটিতে ছোট ছোট জলাশয় তৈরি করছে।

ভূগর্ভস্থ পথ চারদিকে বিস্তৃত। দেওয়ালের গভীরে বসানো মোমবাতি ফিকে আলো ছড়াচ্ছে। দেওয়ালে কিছুটা বিকৃত ছায়া পড়েছে।

দেওয়ালে খোদাই করা চিহ্ন রয়েছে। কিন্তু সময়ের স্রোতে সেগুলো এত নষ্ট হয়ে গেছে যে আর মূল চিত্রকর্ম বোঝা যায় না।

সবকিছু প্রমাণ করে, এই ভূগর্ভস্থ স্থাপনা অনেক পুরনো।

"ধুম—ধুম—"

বৃষ্টির ফোঁটার মতো ঘন শব্দ পথে বারবার প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। ধাতু আর নখর চামড়া ছিঁড়ছে। বাদামি রক্ত দেওয়ালে ছিটকে পড়ছে।

দ্রুত দৌড়, চিৎকার আর হাসির শব্দ। পথের গভীরে এক প্রচণ্ড লড়াই চলছে।

মাথা ফেটে যাচ্ছে যেন। অসংখ্য চিন্তা আর স্মৃতি মাথায় ঢুকছে। দেওয়ালে হেলান দেওয়া যুবকের মুখ ফ্যাকাশে। ঠোঁটের কোণে লাল রক্তের দাগ।

তার পেছনে দুই-তিনজন তরুণ-তরুণী দাঁড়িয়ে। তারা যুবকটিকে পেছনে রেখে রক্ষা করছে। উত্তেজিত দৃষ্টিতে দূরের লড়াই দেখছে।

কেউ খেয়াল করেনি, তাদের সাথীর শ্বাস কিছুক্ষণের জন্য থেমেছিল।

চোখের পাতা অস্থিরভাবে কাঁপছে। অবশেষে ঘুমের ভয় থেকে মুক্তি পেয়ে চু ইয়ান হঠাৎ চোখ খুলল।

চোখে পড়ল অন্ধকার অচেনা পরিবেশ। বেশি ভাবার সময় না পেয়েই চু ইয়ানের চোখের পাতা কুঁচকে গেল। দৃষ্টি স্থির রইল দূরের দৃশ্যে।

কয়েকটি ছায়া ভূতের মতো প্রাণী মাঝে মাঝে মাটি থেকে বের হচ্ছে, কখনো দেওয়াল থেকে মাথা বের করছে। তাদের চেহারা ভয়ংকর। শরীর থেকে অশুভ শক্তি বেরোচ্ছে। গলা থেকে কর্কশ শব্দ বেরিয়ে কানে অস্বস্তি দিচ্ছে।

চু ইয়ান আরও লক্ষ্য করল, এসব ভূতের গলায় মোটা শিকল বাঁধা। শিকলের অপর প্রান্ত অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা এক দুষ্ট বাঘের সাথে যুক্ত। বাঘের চোখে শীতল দুষ্টতা।

এ দৃশ্য দেখে চু ইয়ান-র মনে একটি কথা ভেসে এল:

📚 আপনার জন্য আরও কিছু

সম্পর্কিত তালিকা