সেই সময়ের শিতিয়ান [অতিরিক্ত কাহিনী]

নিকটবর্তী উন্মত্ত সৈনিক শাও মিং 2363শব্দ 2026-03-19 12:54:01

        কালো আগুনের বাতাসের উপত্যকা, পশ্চিম অন্ধকার জগতের সীমানায় অবস্থিত। সারা বছর হিমেল বাতাস বইতে থাকে। বিষাক্ত কীট-পতঙ্গে ভরা, হিংস্র জন্তু成群। এটি পশ্চিম অন্ধকার জগতের সাথে বাইরের যোগাযোগের একমাত্র পথ। ভাড়াটে সেনাদের মৃত্যুপথ নামেও পরিচিত।

বিদেশে বেশিরভাগ নামীদামী ও শক্তিশালী ভাড়াটে সেনা পশ্চিম অন্ধকার জগতের অস্তিত্ব জানে। এটি অগণিত ভাড়াটে সেনাদের স্বপ্নের স্বর্গ। সেখানে কোনো আইন নেই, কোনো নিয়ম নেই, বিশ্ব সরকারের কোনো প্রভাব নেই। এটি স্বাধীনতা ও শক্তির প্রতীক।

প্রতি বছর অসংখ্য ভাড়াটে সেনা পশ্চিম অন্ধকার জগতে প্রবেশ করতে চায়। কিন্তু তাদের অধিকাংশই পথিমধ্যে মৃত্যুবরণ করে—কালো আগুনের উপত্যকায়, নির্দয় স্নাইপারের গুলিতে।

কালো আগুনের উপত্যকার এক পাশের খাড়া পাহাড়ের ওপর, সোনালি ছোট চুলের এক যুবক কালো কোট পরে হিমেল বাতাসে সোজা দাঁড়িয়ে আছে। আকাশে ডুবে যাওয়া সূর্যের শেষ আলো তার ছায়াকে লম্বা করে দিয়েছে। কালো আগুনের উপত্যকার প্রবেশপথে জমা হওয়া হাড়ের স্তূপের সাথে দূর থেকে দেখলে তাকে নির্জন ও বিষাদময় দেখায়।

তার হাতে একটি পুরনো এডব্লিউপি স্নাইপার রাইফেল। বাতাসে দাঁড়িয়ে দূরের দিকে তাকিয়ে আছে। তার কালো চোখে রক্তপিপাসু ও শীতলতা ফুটে উঠছে।

সে很早 আগে থেকেই এখানে এসেছে। একটি লক্ষ্যের অপেক্ষায়।

তার নাম শিতিয়ান। সে পশ্চিম অন্ধকার জগতের একজন স্নাইপার।

স্নাইপার, স্নাইপ শুটার নয়, বরং স্নাইপ হত্যাকারী। পশ্চিম অন্ধকার জগতে এটি একটি বিশেষ পেশা। তাদের নিজস্ব সংগঠন আছে, শক্তিশালী গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক ও নিয়োগকর্তার উৎস আছে। তারা শক্তিশালী স্নাইপিং দক্ষতার মাধ্যমে দূর থেকে লক্ষ্যবস্তুকে হত্যা করে পারিশ্রমিক নেয়।

শিতিয়ানের আসল নাম কেউ জানে না। সে কোথা থেকে এসেছে তাও জানা নেই। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত—সে পশ্চিম অন্ধকার জগতের স্থানীয় নয়।

যদিও শিতিয়ান পশ্চিম অন্ধকার জগতের স্থানীয় নয়, তবু গত কয়েক বছরে সে এ জগতের সবচেয়ে দ্রুত উত্থানশীল নক্ষত্র। শক্তিশালী স্নাইপিং দক্ষতা ও সুদর্শন চেহারার জন্য সে অনেকের স্বীকৃতি পেয়েছে। মানুষের কাছে জনপ্রিয়।

অন্যদের চোখে শিতিয়ান শীতল, সুদর্শন আদর্শ। অসংখ্য পুরুষ ও নারীর মনের আদর্শ। এ বছর পশ্চিম অন্ধকার জগতের ১০৮ সেনারক্ষীতে入选ের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় নবীন হিসেবে পরিচিত।

কিন্তু শিতিয়ান নিজের চোখে সে কিছুই নয়। তার কিছুই নেই। সে শুধু গৃহহীন এক পথিক। হত্যাই пох Stelle তার একমাত্র আনন্দ।

সে খুব কম কথা বলে, এমনকি কথা বলতেও অপছন্দ করে। কারণ এখানে কেউ তাকে বোঝে না।

শিতিয়ান হিমেল বাতাসে দাঁড়িয়ে, পিঠে ডুবে যাওয়া সূর্য। মাথা তুলে দূরের হাড়ের স্তূপ দেখে, আবার নিচের দিকে তাকায় তার হাতে থাকা পুরনো এডব্লিউপি স্নাইপারের দিকে। তার শীতল মুখে এক ঝলক সুখ ও স্মৃতিচিহ্ন ফুটে ওঠে।

সেটা ছিল সবুজ বসন্ত। সবুজ田野ে তারা হেসে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছিল। সে তাকে তার সবচেয়ে পছন্দের গাঢ় সবুজ সামরিক পোশাক উপহার দিয়েছিল। সে তাকে তার সবচেয়ে পছন্দের ক্লাসিক এডব্লিউপি স্নাইপার উপহার দিয়েছিল।

গিলে পাখি উড়ে বেড়ানো田野ে সে হাত বাড়িয়ে তার গাল স্পর্শ করেছিল, যেখানে সুখের গর্ত ছিল। সে তাকে বলেছিল, সে তার সাথে সবসময় থাকবে...

শুধু... পরবর্তী সময়ে অনেক কিছু ঘটে গেল।

কিন্তু সেই সুখের গর্তে ভরা মুখ সবসময় তার স্বপ্নে ঘুরপাক খায়। তাকে বলে, সে তার সাথে থাকবে।

তাকে খুঁজতে সে সবকিছু ছেড়ে দিয়েছে। দেশে-বিদেশে ঘুরেছে, পাহাড়-পর্বত পেরিয়েছে। শুধু তার সেই গিলে পাখিকে খুঁজতে চেয়েছে। কিন্তু কোনো সন্ধান পায়নি।

একদিন সুযোগে সে এখানকার কথা শুনতে পায়। জানতে পারে এখানে তার থাকার সম্ভাবনা আছে। তাই সে এখানে আসে।

এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে।

কিন্তু সে একা এই বিশাল পৃথিবীতে। একজন মানুষকে খুঁজে পাওয়া কত কঠিন!

তাই সে তার সব সঞ্চয় খরচ করে তাকে খুঁজতে লোক নিয়োগ করে।

কিন্তু সেই উচ্চ খরচ সে ধীরে ধীরে বহন করতে পারে না।

তখন একদিন সে সংগঠনে যোগ দেয়। স্নাইপার হয়। একের পর এক কঠিন মিশন গ্রহণ করতে থাকে। সব পারিশ্রমিক সে সেই খরচে লাগায়।

দিনের পর দিন, বছরের পর বছর। সে জানে না কত মানুষ মেরেছে, কত মিশন সম্পন্ন করেছে, কতবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছে। আর বেঁচে আছে।

শুধু তার মুখের সেই উজ্জ্বল হাসি সময়ের সাথে ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে গেছে। সে দিন দিন নীরব, শীতল ও নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েছে।

তবে সৌভাগ্য, নিঃসঙ্গ সময়ে তার সাথে থাকে সে দেওয়া এডব্লিউপি স্নাইপার রাইফেল। শুধু মনের সেই ব্যথা দূর হয় না।

সেই সুখের গর্তে ভরা মুখ সবসময় তার মনের ভেতর রয়েছে। সময়ের সাথে তা ম্লান হয়নি।

তাকে খুঁজতে, তাকে জানাতে যে সে এখানে এসেছে, তাকে আরও শক্তিশালী হতে হবে। অন্যদের মৃত্যুপথ বলে মনে করা মিশনগুলো গ্রহণ করতে হবে। নিজের পরিচিতি বাড়াতে হবে। যাতে সে জানে যে সে এখানে এসেছে।

হিমেল বাতাসে দাঁড়িয়ে, হাতে থাকা পুরনো এডব্লিউপি স্নাইপার স্পর্শ করে শিতিয়ান চুপিচুপি বলে, "গিলে পাখি, আমি নিশ্চয় তোমাকে খুঁজে পাব। নিশ্চয়।"

"রে ভাই, এখানেই কি পশ্চিম অন্ধকার জগত?"

এই সময় এক ক্লান্ত ও উত্তেজিত কণ্ঠ শোনা গেল কালো আগুনের উপত্যকায়।

সূর্যের শেষ আলোয়, ছোট চুলের এক যুবক দূরের দিগন্তে দেখা গেল। তার মুখে আকাঙ্ক্ষা ও কৌতূহল।

যদিও তার মুখ ধুলো-মাটিতে ঢাকা, তবু তার সুনিপুণ চেহারা ঢাকা পড়েনি। সোজা দেহটি পুরনো সামরিক পোশাকে মোড়ানো। কিন্তু তার মুখের দৃঢ়তা ও অদম্যতা ঢাকা যায়নি।

বাম হাতে পুরনো সামরিক ব্যাগ, ডান কাঁধে পুরনো স্নাইপার রাইফেল। মুখে উজ্জ্বল হাসি। খুব প্রাণবন্ত।

তার নাম লান ফেং। সে প্রাচীন চীন থেকে এসেছে। বিপজ্জনক অ্যামাজন অতিক্রম করেছে, দ্রুতগতির নীল নদ পেরিয়ে দুটি মহাদেশ অতিক্রম করেছে। এসেছে এখানে—তার স্বপ্নের শুরু।

এই শব্দ শুনে শিতিয়ান জটিল মন শান্ত করে ধীরে মাথা তুলল। দৃষ্টি স্থির করল সোজা দাঁড়ানো সেই লোকটির দিকে। তার কালো চোখে শীতল আলো জ্বলছে।

যে যুবক হেসে তাকে অভিবাদন জানাচ্ছে, সে তার আজকের কাজের লক্ষ্য। তাকে হত্যা করতে হবে। সে আগেই সংবাদ পেয়ে এখানে অপেক্ষা করছিল।

পরমুহূর্তে শিতিয়ান হাতের এডব্লিউপি স্নাইপার তুলে দূরের দিগন্তের লান ফেং-এর দিকে ট্রিগার টিপল।

"বাম!"

তীব্র গুলির শব্দে তিনটি বুলেট হত্যার ইচ্ছা নিয়ে লান ফেং-এর দিকে ছুটে গেল। গতি অসাধারণ।

এটাই তাদের প্রথম সাক্ষাৎ।

【আরও উত্তেজনাপূর্ণ অতিরিক্ত কাহিনীর জন্য অনুগ্রহ করে শিয়াও মিং-এর ওয়েচ্যাট পাবলিক অ্যাকাউন্ট ফলো করুন: শিয়াও মিং অথবা শিয়াও মিং-এর ব্যক্তিগত ওয়েচ্যাট: as465386339।】